1. ruhul.lemon@gmail.com : admin :
  2. tanjid.fmphs@gmail.com : তানজিদ শুভ্র : তানজিদ শুভ্র
  3. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

দৈনিক গণধ্বনি প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াকুব শিকদারের নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ

  • প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২০
  • ৭৯ বার পঠিত

মো:সাব্বির হোসেন বিশাল,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে নগরীর রাজপাড়া থানার কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (কনস্টেবল নম্বর ৪৩৩) ই জিডি করেন। জিডি নম্বর ২৮৭।

সম্পাদক ইয়াকুব শিকদারের অভিযোগ, তার সাথে কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণ করেছেন। কিন্তু প্রতিকার না করেই উল্টো সাধারণ ডায়েরি করিয়েছেন ওসি।

বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলছেন ইয়াকুব শিকদার। একই সাথে এ নিয়ে তিনি নগর পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

ভুক্তভোগী এ সাংবাদিকের ভাষ্য, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে তিনি থানায় সেকেন্ড অফিসার মোস্তাক আহম্মেদের কাছে গিয়েছিলেন।

ফেরার পথে থানার দায়িত্বরত সেন্ট্রি শহিদুল ইসলাম তার পথরোধ করেন। ওই সময় টাকা না পেলে যেতে দেয়া হবে না বলে জানান।কিন্তু কনস্টেবলকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ নিয়ে তার সাথে প্রকাশ্যে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন শহিদুল।

পরে সেকেন্ড অফিসারের কাছে ফিরে গিয়ে তিনি বিষয়টি জানান। তখনই সেকেন্ড অফিসার এসে কনস্টেবলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কর্তব্যরত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন কনস্টেবল শহিদুল।

প্রতিকার পেতে সেখানে দাঁড়িয়েই বিষয়টি তিনি মোবাইলে আরএমপির মুখপাত্রকে জানান। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ে জানাজানি হয়ায় ক্ষুদ্ধ হন ওসি। তিনি প্রতিকার না করেই পাঠিয়ে দেন। এর ঘণ্টাখানিক পর তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি নেয় পুলিশ।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে রাজি হননি কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম।

এদিকে, জিডির তদন্তভার দেয়া হয়েছে থানার উপ-পরিদর্শক শরিফুল ইসলামকে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, তাকে তদন্তভার দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি নথিপত্র এখনও হাতে পাননি। পেলেই তদন্ত কাজ শুরু করবেন।

তার ভাষ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে যখন এই ঘটনা ঘটে তিনি তখন থানায় ছিলেন। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এমনটি ঘটেছে।

এমন তুচ্ছ বিষয় সাধারণ ডায়েরি পর্যায়ে নেয়ার কারণ জানতে জানতে চাইলে জানা নেই দাবি করেন শরিফুল ইসলাম। একই সাথে নিয়ম মেনে তদন্তকাজ শেষ করারও কথা জানান।

এদিকে, অভিযোগ বিয়ষটি জানতে চাইলে থানা পুলিশের ওসি শাহাদাত হোসেন খান দাবি করেন, কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম নিজেই জিডি করেছেন। এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তদন্তভার দেয়ার বিয়ষটিও জানেন না। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে সেটি ভিত্তিহীন দাবি করেন ওসি।

জানতে চাইলে নগরীর বোয়ালিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সাজিদ হোসেন বলেন, সেদিনের ঘটনা কিংবা জিডির বিষয়টি ওসি নিজেই ভালো বলতে পারবেন। এর বাইয়ে এ নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে বৃহস্পতিবার দুপুরেই ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মোবাইলে অভিযোগ দেয়ার সত্যতা স্বীকার করেন নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস।

তিনি বলেন, ওই সাংবাদিক দুপুরের তাকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তাকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। তিনি তাতে সম্মত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জিডির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি থানা বিষয়। থানা সেটির তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। তবে এই জিডি নিয়ে ওই সাংবাদিক যেন কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হন সেদিকেও নজর রাখা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো বার্তা..
নিঃস্বত্ত্ব © সংগৃহিত তথ্যগুলোর স্বত্ব সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের। আমাদের নিজস্ব কোন স্বত্ব নেই।

কারিগরি সহায়তায় WhatHappen