1. ruhul.lemon@gmail.com : admin :
  2. tanjid.fmphs@gmail.com : তানজিদ শুভ্র : তানজিদ শুভ্র
  3. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্ভোগে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ

  • প্রকাশ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৫০ বার পঠিত

করোনার প্রভাবে সরকার ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করেছে। ২৫ তারিখের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কিনা এমন নিশ্চয়তা নেই। আর কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলাও যাচ্ছে না। এতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের খেটেখাওয়া মানুষের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। তারা কি কাজ করতে পারবেন তা নিয়েও রয়েছে দুশ্চিন্তায়।

একদিকে পরিবার পরিজন, অন্যদিকে আয় একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।  নিম্নবিত্তদের অনেকেই সরকার ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে যেটুকু খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন, তারা বাকি সময়টা কিভাবে চালাবেন, তা নিয়ে তাদের ভাবনার শেষ নেই। অন্যদিকে মধ্যবিত্তরা দোকানপাট, ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন।

যেটুক সঞ্চয় ছিল তাও বসে বসে খেয়ে শেষের পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামীতে কিভাবে দিন পার করবেন এ নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। কারণ তারা না পারছেন কারও কাছে চাইতে না পারছেন ছোট কোন কাজ করতে। এতে দিন দিন তাদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মজিদ নামে জেলা শহরের এক রিকশা চালক জানান, সকাল ৭টায় বের হয়ে দুপুর পর্যন্ত আয় হয়েছে মাত্র ১০০ টাকা। আবার যাত্রীরা চুক্তি করে যেতে চাইলে টাকাটা একটু বেশি পাওয়া যায়। তাছাড়া, সীমিত আকারে চলাচল করার কারণে আয়ও সীমিত হয়ে গেছে। অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে দৈনিক দিনমজুর হিসেবে যারা কাজ করতেন, তারাও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

তারা দিন প্রতি ৩ থেকে ৪শ টাকা আয় করতো, তাদের চোখেমুখে হতাশার ছাপ। এদিকে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চালক ও তাদের সহকারিদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তারাও অনিশ্চয়তার মধ্যদিয়ে দিন গুনছে, কবে নাগাদ চালু হবে পরিবহন। তাদের যে পুঁজি ছিল তা শেষ করে ফেলেছে।

ঢাকা কোচের চালক মো. আনারুল ইসলাম জানান, গত ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ঢাকাগামী বাস বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টের মধ্যে রয়েছেন তিনি, কবে গাড়ি চালাতে পারবেন তাও বলতে পারছেন না।

জেলা মোটর ট্রাক, ট্যাংকলরি  ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো.  সাইদুর রহমান জানান, জেলায় প্রায় ৪ হাজার বাস, মিনিবাস ও  মাইক্রোচালক রয়েছে, তারা এখন বেকার। খাদ্য সহায়তার জন্য প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার শ্রমিকের তালিকা জেলা প্রশাসনের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে হোটেল কর্মচারিরা দিনমজুরি হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতেন, বর্তমানে সব হোটেল বন্ধ। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

এছাড়া ছোট ছোট চায়ের দোকান মালিক-কর্মচারি, ফেরিওয়ালা, ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতারাও পড়েছেন বিপাকে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, বিক্ষিপ্তভাবে খাদ্য সহায়তা না দিয়ে যদি বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় তাহলে এর সুফল লাভ করবে মধ্যবিত্তসহ  নিম্ন মধ্যবিত্ত।

এ ব্যপারে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক জানান, বেশিরভাগ শ্রমজীবী মানুষকে সরকারি সহায়তা হিসেবে থাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে, যারা পাননি তাদেরকে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়েও খাদ্য সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো বার্তা..
নিঃস্বত্ত্ব © সংগৃহিত তথ্যগুলোর স্বত্ব সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের। আমাদের নিজস্ব কোন স্বত্ব নেই।

কারিগরি সহায়তায় WhatHappen