1. ruhul.lemon@gmail.com : admin :
  2. tanjid.fmphs@gmail.com : তানজিদ শুভ্র : তানজিদ শুভ্র
  3. contact.mdrakib@gmail.com : Rakib Howlader : Rakib Howlader
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

করোনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন

  • প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ২১৮ বার পঠিত
মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। অথচ দিন দিন আম পাকার সময় ঘনিয়ে আসছে। তাই দেশের স্থবিরতায় উদ্বিগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আমের জেলা খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবারও আমবাগানগুলোতে মাঝারী সাইজের আমের গুটিতে ভরপুর। তবে আম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। কারণ করোনার প্রভাবে বাজারের পরিস্থিতি ভালো থাকবে কিনা, তা নিয়েই হতাশায় রয়েছে। এতে চলতি মৌসুমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় আমবাগানের পরিমাণ ৩৩ হাজার ৩৫ হেক্টর। গত বছর ছিল ৩১ হাজার ৮’শ ২০ হেক্টর এবং গাছের সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৬’শ ৩০।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে নানা জাতের আমের গুটি অনেকটাই বড় হয়ে গেছে। জৈষ্ঠ্য মাসে বাজারে উঠতে শুরু করবে আম। জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল হওয়ায় এই আমকে ঘিরেই এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু করোনার কারণে এ অঞ্চলের মানুষের মুখে যেন হাসি নেই, যেন মলিন হয়ে গেছে।

জেলা শহরের আম ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর গাছে গাছে আম পর্যাপ্ত হলেও আমের বাজার নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বাগান মালিকরা। আম মৌসুম জুড়ে লেনদেন হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা। এতে চাঙ্গা হয় জেলার অর্থনীতি। মৌসুমের শুরু থেকেই বাগানের আম বিক্রি হয় এবং কয়েকবার হাত বদলও হয় । কিন্তু এবার করোনার প্রভাবে সবকিছুই গরমিল। আম বাজারজাত না করতে পারার আশঙ্কায় খরচ করে পরিচর্যাও বন্ধ রেখেছেন অনেক চাষি।

কানসাট আম আড়তদার সমিতির সভাপতি কাজী এমদাদ বলেন, আম বাজারজাত করণে এবার প্রস্তুতি ভালোই ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে আমের বাজারজাতকরণ ও দাম না পাওয়া এবং চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এখানকার আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা। মৌসুমের এই সময়টাতে কানসাট আমবাজার ও আড়তগুলোতে আমবাগান কেনা-বেচাকে ঘিরে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেলেও, এবার নেই কোন কর্ম-ব্যস্ততা। তাই আমের বাজারজাতকরণে আগাম পরিকল্পনা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন আড়তদাররা।

আমবাগান মালিক হারুন অর রশীদ জানান, এবছর আশানুরুপ আমগাছে গুটি এসেছে, বৃষ্টি হওয়ায় আমের জন্য ভাল হয়েছে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে আমের ফলন ভালোই হবে আর এখন পর্যন্ত পোকার আক্রমণ না থাকায় আমগাছগুলোতে বাড়তি স্প্রে করা লাগছে না। করোনাভাইরাসের জন্য আমের বাজার নিয়ে আম ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম হতাশা নেমে এসেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, সবকিছু মিলিয়েই ভালো ফলনের আশা করা যাচ্ছে। আম ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, আম যাতে ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বিঘ্নে বাজারজাত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর প্রায় পৌনে ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে।

এদিকে, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জমির উদ্দীন আহম্মদ জানান, আম উৎপাদনে আমচাষিরা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেদিক বিবেচনা করে বাগান ঘুরে চাষিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

খবর কৃতজ্ঞতাঃ স্বপ্নচাষ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো বার্তা..
নিঃস্বত্ত্ব © সংগৃহিত তথ্যগুলোর স্বত্ব সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের। আমাদের নিজস্ব কোন স্বত্ব নেই।

কারিগরি সহায়তায় WhatHappen